Naeem leads Tigers back from brink...................
Author
Message
Admin Administrator
Total post :-: 635 Join date: 2009-05-03 Age: 26 Location: muscat
Subject: Naeem leads Tigers back from brink................... Thu Nov 05, 2009 12:14 pm
উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন টেলরের অপরাজিত শতকও জেতাতে পারলো না জিম্বাবুয়েকে। জয় প্রায় হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছিল তারা। কিন্তু নাঈম ইসলাম অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করে পঞ্চম একদিনের ম্যাচটি রীতিমতো ছিনিয়েই নিলেন। জিম্বাবুয়ের ৯ উইকেটে ২২১ রান টপকে বাংলাদেশ ২২২ রান করে ৯ উইকেটে। তখনও বাকি ছিল পুরো এক ওভার। ফলে ১ উইকেটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে সিরিজও জিতে নেয় ৪-১ ব্যবধানে।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার টস জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ব্যাটিংয়ে পাঠান জিম্বাবুয়েকে। কিন্তু শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি জিম্বাবুয়ের। কিন্তু অন্য কোন ব্যাটসম্যান সুবিধা করতে না পারলেও টেলর ঠিকই নাকাল করে ছাড়েন বাংলাদেশের বোলারদের। ফলে ম্যাচটি হয়ে যায় টেলর বনাম বাংলাদেশের। টেলরের ১১৮ রানের সুবাদে জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশকে ছুড়ে দেয় ২২২ রানের লক্ষ্য।
এই রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল (১*)। একটু পর দুর্ভাগ্যজনক রান আউট হয়ে ফিরে যান মোহাম্মদ আশরাফুল (৫)। ১০৫ রানের মধ্যে জুনায়েদ সিদ্দিকী ১৯, রাকিবুল হাসান ৩১, মুশফিকুর রহিম ২৩ ও অধিনায়ক সাকিব ২০ রানে সাজঘরে ফিরে যাওয়ার পর জয়ের গন্ধ পেতে শুরু করেছিল জিম্বাবুয়ে।
কিন্তু সেই অবস্থায় ইনিংসের হাল ধরেন নাঈম ইসলাম এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ্। ৬৯ রানের জুটি বেঁধে দলকে তারা এগিয়ে নেন অনেকখানি। দলীয় ১৭৪ রানে মাহদুল্লাহ ৩৩ রানে আউট হওয়ার পর পরপর আব্দুর রাজ্জাক ও এনামুল হক জুনিয়রের উইকেট হারায় বাংলাদেশ ১৭৯ রানে। এরপর ব্যাট হাতে আবারো মাঠে নামেন আহত তামিম। ১৮৭ রানে তিনি বিদায় নিলে খেলা চলে যায় জিম্বাবুয়ের অনুকূলে। তখনও জেতার জন্য বাংলাদেশের দরকার ছিল ৩৫ রান। হাতে ছিল এক উইকেট। ব্যাট করছিলেন নাঈম ও নাজমুল হোসেন।
এ অবস্থায় জিম্বাবুয়ের জয় ছিল অনেকটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু নাঈমের মাথায় ছিল ঠিক উল্টো ভাবনা। ৪৮তম ওভারে খেলার চিত্রই পাল্টে দেন তিনি। তিনটি ছক্কার সাহায্যে ১৯ রান নিয়ে জয় বের করে আনেন জিম্বাবুয়ের মুঠো থেকে। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৭৩ রানে। চারটি ছক্কা ও চারটি চার দিয়ে সাজান তিনি তার ইনিংসটি।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে দু'টি করে উইকেট নেন শামু চিবাবা ও স্টুয়ার্ট মাতসিকেনেরি।
এর আগে সকালে ষষ্ঠ ওভারে আব্দুর রাজ্জাকের বলে জুনায়েদকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান মার্ক ভারমুলেন (৭)। অষ্টম ওভারে অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজাও প্যাভিলিয়নে ফেরেন একইভাবে, বোলার সেই রাজ্জাক। ক্যাচও ধরেন সেই জুনায়েদ। রান তখন ২ উইকেটে ১৮।
সেখান থেকে দলকে অনেকটাই টেনে তোলেন ব্রেন্ডন টেলর এবং এলটন চিগুম্বুরা। কিন্তু এই জুটিতে ৬২ রান তোলার পর ৩৮ বলে ৩৮ রান করে মাহমুদুল্লাহর বলে মুশফিকুর রহিমের হাতে ধরা পড়ে বিদায় নেন এলটন চিগুম্বুরা। এরপর ম্যালকম ওয়ালার (০) এবং স্টুয়ার্ট মাতসিকেনেরির (৮) উইকেট নিতে খুব একটা দেরি করেননি তিনি।
এক প্রান্তে উইকেট পড়তে থাকলেও লড়াই করার মতো একটা পূঁজি সংগ্রহের জন্য উইকেটের অপর প্রান্তে লড়ে যেতে থাকেন টেলর। এরই মধ্যে সাকিব একে একে ফস্টার মুতিজয়া (৫), শামু চিবাবা (০) আর গ্রায়েম ক্রেমারকে (১০) ফিরিয়ে দেয়ায় দেড়শ'র মধ্যে গুটিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পড়ে জিম্বাবুয়ে। অষ্টম উইকেট পড়ে ১৪৫ রানে। পরের উইকেটে ক্রেমারের (১০) সঙ্গে ৫৪ রান তুলে সে আশঙ্কা দূর করেন টেলর ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি করে। ডান-হাতি এই ব্যাটসম্যান মাহমুদুল¬াহ্র শেষ ওভারে ১৯ রান নিয়ে জিম্বাবুয়েকে এনে দেন লড়াই করার মতো পুঁজি। ১২৫ বল খেলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন তিনি।
সাকিব ২৯, রাজ্জাক ৪৩ এবং মাহমুদুল¬াহ ৬৫ রানে ৩টি করে উইকেট না নিলে হয়তো আরো বড় চ্যালেঞ্জই ছুঁড়ে দিতো তারা।